কাটলো ঘুড়ি

কাটলো ঘুড়ি

     – সাম্যময় সেন গুপ্ত –

ওই কাটলো ঘুড়ি –

কাটলো ঘুড়ি, কাটলো ঘুড়ি,

কচি কাচার হুড়োহুড়ি 

কাটলো ঘুড়ি !


নীল আকাশে চোখ চলে যায়

ওই যে ঘুড়ি, ওই ভেসে যায় !

হাওয়ার কোলে, কেমন দোলে 

নামছে নীচে  অলস তালে –

কাটলো ঘুড়ি !


চল্লিশের মন্দ দিকে,

চুলের রেখা হচ্ছে ফিঁকে 

তবুও কেমন বুক ঢিব ঢিব 

নামছে ঘুড়ি, পরবে তো ঠিক ?

কাটলো ঘুড়ি !


কোথায় পরবে ? কাদের ছাদে ?

কিম্বা কোনো গাছের মাথায়

নানান রকম সম্ভাবনায় 

মন ভরে যায় উত্তেজনায়,

কাটলো ঘুড়ি !


কাগজ সুতোর  কতই বা দাম 

আকাশ কে রোজ বার্তা দিতাম 

রোদ মাখা ওই চিলতে কাগজ 

তার পেছনে ছুটছে  অবুঝ 

কাটলো ঘুড়ি !


নিজের ভেতর নিজেই ছুটি 

বৃথাই করি অবুঝপনা 

ওই ঘুড়ি আর আমার তো নয় 

ধরতে মানা, ধরতে মানা 

কাটলো ঘুড়ি !

———

সেই আকাশ 

সেই আকাশ 

      – সাম্যময় সেন গুপ্ত –

ছোটবেলার আকাশে 

মা মরলে তারা হয় 

বাবা মরলে তারা হয় …..,

বড়বেলার আকাশে –

কেউ কিছু হয় না


বড়বেলার আকাশ শুধু 

মনখারাপের মেঘে ভরা,


কখনো তোমার মেঘে 

আমার পাড়ায় বৃষ্টি,

কখনো  আমার মেঘে 

তোমার পাড়ায়

———-

প্রেম ছত্রাক ( 20 )

প্রেম ছত্রাক ( 20 )

 -সাম্যময় সেন গুপ্ত-

দুপুর রোদ পিঠে নিয়ে 

শীতের ছাদে আচার দিয়ে 

টক ঝাল ঝাল সময় মাখা 

মেয়েবেলার ভয় 

এমন করে বোকার মতো 

বড় কেউ হয় ?!

বড় হলেই মজা মাটি 

সব কিছু নয় ছয়

——–

ভালো লাগা

ভালো লাগা  
     -সাম্যময় সেন গুপ্ত-   

এক মুঠো ভালো লাগার খোঁজে    
ছুটে এসেছি তার কাছে, 
শহরকে পিছনে ফেলে    
সে আকাশ মেখে বসেছিল ;   
চোখে তার সাগরের স্তব্ধতা    
চারিদিকে সবুজ ঘাস ও   
বুনোফুলের স্তূপ। তার সঙ্গ চেয়েছিলাম,   
কিণ্তু
সে সীগালদের সঙ্গে হারিয়ে গেল     
গভীর নীলে, শৈশবের ধোঁয়াশায়।    
…………….