ভিজে যাওয়া 

ভিজে যাওয়া 

     -সাম্যময় সেন গুপ্ত-

ভালবাসা কতো বৃষ্টি নিয়ে আসে …

বৃষ্টি কতো ভালবাসা নিয়ে আসে ….

_______

Advertisements

প্রেম ছত্রাক ( 48 )

প্রেম ছত্রাক ( 48 )

– সাম্যময় সেন গুপ্ত –

মনের কোন Delete বোতাম নেই তাই পরোতে  পরোতে জমতে থাকে ; অদরকারি কথা, অদরকারি মুখ, অদরকারি ঘটনা, অদরকারি জড়িয়ে ধরা, অদরকারি আদর, অদরকারি চুমু, অদরকারি চলে যাওয়া ও ফিরে আসা. মৃত্যু অবধি এই অদরকারির বোঝা বোয়ে বেড়ানো ! সেই জন্যেই কি মৃত্যুর আরেক নাম মুক্তি ?  এখন তো এমন অবস্থা হয়েছে, অদরকারির ভিড়ে, দরকারি কোন কিছু আর মনে জায়গাই পায়না. মনের কোন Delete বোতাম নেই তাই পরোতে  পরোতে জমতে থাকে ………

প্রেম

প্রেম 

– সাম্যময় সেন গুপ্ত –

প্রেমের বড় তাড়া ছিল 

ফিরে যাবার

তাই 

এক মুহূর্তের আঁচড়ে 

অনন্তকাল দিয়ে গেল


অনন্তকাল ঝিনুকের আঁধারে 

জ্বালা জমাট বাধে –

তবেই না তা মুক্ত হয় !

———–

প্রেম ছত্রাক  ( 24 )

প্রেম ছত্রাক  ( 24 )

    – সাম্যময় সেন গুপ্ত –

শুকনো পাতায় ভরা জীর্ন ঘর 

চার দেয়ালে চার অধ্যায় টাঙানো পরপর, 

আসিও সংগোপনে

বিছানায় এক ফালি আলাপি রোদ্দুর 

জানালার পর্দায় বাতাসের সুর,

প্রিয়তমা আসিও সংগোপনে 

——

প্রেম ছত্রাক  ( 30 )

প্রেম ছত্রাক  ( 30 )

      -সাম্যময় সেন গুপ্ত-


তোমার প্রিয় সময়টাতে

পরলো মনে তোমার কথা 

হৃদয় বীণায় উঠলো বেজে 

অপার্থিব নিরবতা 

রাতের বুকে মুখটি গুজে 

দিন হারাবে মনের সুখে 

সাঁঝের আবির মাখিয়ে দিলাম 

লজ্জা রাঙ্গা তোমার মুখে 

——–

তোমায় ভেবে 

তোমায় ভেবে 

      – সাম্যময় সেন গুপ্ত –


আমার রুমালে কলকাতা লেগে আছে , 

ডান কাঁধেতে তোমার নখের দাগ ,

তোমার ঠোঁটের পায়ড়ারা বিদ্ধস্ত –

পরে আছে ওই গ্রাউন্ড জিরো-এ, এলোমেলো খাট


কাঁটাতার বেড়া, তারই নিচে খুড়ে মাটি

স্বাধীনতা আমি পাচার করেছি রোজ, 

তোমার খাঁজে খাঁজে মাদক কোকেন নেশা ,

শহরের সাথে শরীরী এক্সট্রা ডোজ


লালসায় লাল, কামনায় নীল, আর 

ডায়রিতে, আবছা ধুসর আমি ;

বন্দর ছেড়ে ওই রওনা দিলো এই জাহাজ,

ভালো থেকো মেয়ে, এই শহরটা তোমারি !

————-

কালো মেয়ের রাত 

কালো মেয়ের রাত 

– সাম্যময় সেন গুপ্ত –

আজ রাত বড় নরম 

লাজুক তারায় ভরা —

কালো আকাশ ওড়না গায়ে ,

দুষ্টু, মিষ্টি, অধরা

          টিপ পরনি কালো মেয়ে  ?

           পরলে ভালো দ্যাখায় —-,

           শুধু নিশুত রাতে সেজো মেয়ে,

            নইলে সবাই তাকায় !

এসো মেয়ে বাইরে এসো 

রাত যে বড় একা 

গোপন করে হোকনা তোমায়

নতুন করে দ্যাখা !

          আজ রাতে মেয়ে ঘুমিয়ো নাকো

           বইছে দামাল হাওয়া,

            আরশিতে চাঁদ রেখো ধরে 

            তবেই আকাশ পাওয়া 

 ——-

এসো 

প্রেম ছত্রাক ( 32 ) / 

এসো

       – সাম্যময় সেন গুপ্ত –

শুকনো পাতা মাড়িয়ে এসো

নিজেকে আজ হারিয়ে এসো

অতীত আঁধার পুড়িয়ে এসো

বকুল ঘ্রাণে মাখিয়ে এসো

রাতগুলোকেও তাড়িয়ে এসো

স্বপ্ন আবির রাঙ্গিয়ে এসো

চৈত্র শেষে অল্প সেজে 

শুকনো পাতা মাড়িয়ে  এসো 

——

যারা বৃষ্টিতে ভেজেনি

​প্রেম ছত্রাক ( 31 ) / 

যারা বৃষ্টিতে ভেজেনি

           – সাম্যময় সেন গুপ্ত –

নিঃসঙ্গতা একটা অসুখ 

তুমি চলে গেলে বাড়ে,

সকাল, বিকেল, সন্ধ্যা, রাত 

চারবেলাই অন্ধকারে 

মনের বাঘ, মন কে খায়

দেহের বাঘ মানুষখেকো 

যারা বৃষ্টিতে ভেজেনি 

আজ তারা চন্দ্রাহত ! 

———-

জমেনি আসর

জমেনি আসর

       -সাম্যময় সেন গুপ্ত-

দুধ সাদা ঘাসে 

                নীল শাড়ি মাখা 

কিশোরী মনে, তরুণী দেহে 

               যুবতীর শুয়ে থাকা 

দরজা জানালা খোলা কল্পনার ঘর 

মধ্য রাতে হানা দেয় চাঁদনী ধোয়া ঝড় 

হায়, ঠুমরি ছিলো, দাদরা ছিলো, 

তবু জমেনি আসর !

আঁতোরের গন্ধ মাখা 

                   রূপের হেয়ালি 

চোখের ওই ঝাড়বাতিতে 

                  আলোর দেয়ালি,

তবলা বায়া সারেঙ্গিতে সবাই বিভোর 

  নিস্তব্ধ প্রতিধ্বনি, সুরের চাদর 

তুমি ছিলে, আমিও ছিলাম, 

তবু জমেনি আসর !

অকারণে লিখে যাওয়া দূর্বোধ্য কবিতা 

মূল্যবান শব্দ নিয়ে আলাপচারিতা 

বোঝা না বোঝার পালা সাঙ্গ হলে পরে 

মধ্য রাতের  নৈরাশ্য মাখা অন্ধকার ঘরে 

উষ্ণ রক্ত মাখা নগ্ন সহবাসে 

অদ্ভূত শান্তি নামে এ পরবাসে.